ফ্রিল্যান্সিং:ফ্রিল্যান্সিং শেখার উপায় - মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং?

ফ্রিল্যান্সিং:ফ্রিল্যান্সিং শেখার উপায় - মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং? 

হ্যালো সবাই কেমন আছেন আশা করি সবাই ভাল আছেন আজকে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি পথে ফ্রিল্যান্সিং কি ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি প্রয়োজন হয় ফ্রীলান্সিং ফ্রিতে কিভাবে শেখা যায় ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি রয়েছে ফ্রীলান্সিং সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য থাকছে আজকের পর্বে চলুন তাহলে শুরু করা যাক আজকের পর্ব।

ফ্রিল্যান্সিং-শেখার-উপায়-মোবাইলে-ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং কি?

আমরা যদি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য মনোনিবেশ করে থাকি তাহলে আমাদেরকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে আপনি আপনার বাসায় থেকে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানির অথবা কোন ব্যক্তির কাজ করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়।

চলো আমরা আরও একটু ক্লিয়ার হয় উন্নত দেশগুলোতে তারা তাদের কোম্পানীর জন্য অথবা তাদের ব্যক্তিগত কোনো কাজের প্রয়োজন হয় কিন্তু সে কাজগুলো যদি তারা তাদের দেশের মানুষের হাতে করাতে যায় সে ক্ষেত্রে তাদের যে পরিমাণ টাকা খরচ হবে।

তার অর্ধেক টাকা খরচ করে তারা বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস থেকে বিভিন্ন দেশের লোকদের হায়ার করে থাকে এতে করে তাদের খরচ অনেক কম হয় তখন আপনি তাদের কাজগুলো করে দিবেন এতে করে আপনি টাকা পাবেন।

ফ্রীলান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই আপনি যদি কোন চাকরি করেন সরকারি কিংবা বেসরকারি সেখানে আপনার বাধ্যবাধকতা থাকে আপনি চাইলে আপনার মনের মত ছুটি কাটাতে পারেন না আপনি চাইলে আপনার মনের মত যখন খুশি তখন কাজকর্ম করতে পারেন না একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট অফিসে আপনাকে কাজ কর্ম করতে হয়।

কিন্তু ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি থাকবে এখানে আপনার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই আপনার যখন ইচ্ছা তখন আপনি কাজ করবেন আপনার ইচ্ছা হয়নি আপনি কাজ করবেন না।

এখানে আপনার নির্দিষ্ট কোনো অফিস নেই আপনার নিজের বাষায় হচ্ছে আপনার অফিস। যখন খুশি তখন আপনি আপনার অফিসে কাজ করবে আপনার ভালো লাগবে না তখন আপনি কাজ করবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ

ফ্রিল্যান্সিং বাংলাদেশ - আমরা যারা ফ্রিল্যান্সিং করার কথা ভাবতেছি তাদের মাথায় হয়তো একটা কথা গুরপাক খাচ্ছে তা হচ্ছে বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিং কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের প্রায় 5 লক্ষের অধিক মানুষ ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে জড়িত। বর্তমান সরকার ফ্রিল্যান্সিং করতে উৎসাহ প্রদান করে থাকে।

এবং ফ্রিল্যান্সাররা যে টাকা ইনকাম করে থাকে তা যদি সরকারের অধীনস্থ কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সে টাকা আনা হয় সেখান থেকে সরকার কোন ভ্যাট কাটবে না বরং সরকার আরও চার পার্সেন্ট এক্সট্রা প্রদান করে থাকে। 

তাই আপনি হয়তো এতক্ষণে বুঝতে পারছেন ফ্রীলান্সিং বাংলাদেশের পেক্ষাপটে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর তাছাড়া বর্তমান বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি এ পরিস্থিতিতে আপনি একটা চাকরি পাওয়া অনেক কষ্টকর হয়ে যাবে।

এবং আপনি যদি চান সেটা ভালো কোন চাকরি হবে না কারণ বর্তমানে বাংলাদেশের এমন এক পরিস্থিতি যেখানে আপনি ভালো চাকরি পেতে গেলে আপনার মামু খালু প্রয়োজন হয়। 

তাই আমরা বলব বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সারদের গুরুত্ব অনেক অনেক বেশি তাই আপনি নিঃসন্দেহে চোখ বন্ধ করে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। 

আর যতদিন যাবে ততো ফ্রিল্যান্সার বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং ততবেশি ফ্রিল্যান্সারদের গুরুত্ব বেড়ে যাবে। তাই আপনি সময় থাকতে এই সুযোগ লুফে নিন।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো 20২২ - ফ্রিল্যান্সিং শেখার উপায় - ফ্রিল্যান্সিং শিখুন অনলাইনে সম্পূর্ণ ফ্রী

বন্ধুরা একটা সময় ছিল যখন আমরা কোনো কিছু জানতে অথবা বুঝতে চাইলেই আমাদেরকে কারো না কারো শরণাপন্ন হতে হতো এবং অনেক সময় লেগে যেত। 

কিন্তু এখন আমরা আধুনিক যুগে বসবাস করতেছি তাই আমাদেরকে কোন কিছু জানতে এবং শিখতে হলে আরো শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন হয় না বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ আমরা ইন্টারনেটের সাহায্যে খুব সহজেই যেকোন জটিল ও কঠিন বিষয়গুলো খুব সহজে ঘরে বসে নিজের মোবাইল কম্পিউটারের মাধ্যমে।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব এমন প্রশ্ন করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য উত্তর হচ্ছে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ এর সাহায্যে খুব সহজে গুগোল ইউটিউব ফেইসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ঘরে বসে ফ্রীলান্সিং শিখে নিতে পারবেন।

ফ্রীলান্সিং এমন একটি কাজ যেটা শিখার জন্য আপনি বাইরে যেতে হয় না যদিও বাংলাদেশ শতশত ইনস্টিটিউট রয়েছে যেখানে তারা ফ্রীলান্সিং ট্রেনিং দিয়ে থাকে। 

আসলে ওয়েট ট্রেনিং গুলো তাদের জন্য তাদের টাকা পয়সা আছে এবং যারা চাই অন্যের সাহায্যে নিজে কিছু করবে নিজে নিজে খুঁজে নিজে নিজে শিখতে পারবে না তাদের জন্য এই ট্রেনিং সেন্টার গুলো।

কিন্তু আপনার কাছে যদি কোন টাকা-পয়সা না থাকে তাহলে কোন সমস্যা নেই আপনি ওদের থেকেও আরো ভালোভাবে শিখতে পারবেন তার জন্য অবশ্য আপনার শেখার আগ্রহ থাকতে হবে।

আপনার মাথায় যে বিষয়টা আসবে সাথে সাথে সেই বিষয়টি সম্পর্কে ইউটিউব এবং গুগোল এ সার্চ করে দেখে নিবেন এতে করে আপনি অনেক বেশি শিখতে পারবেন আপনার কোন সমস্যা হলে সাথে সাথে সে সমস্যার বিষয়টি গুগোল ইউটিউব এ সার্চ করে দেখে নিবেন এবং আপনার সমস্যা সমাধান করে নিবেন এতে অনেক অনেক বেশি শিখতে পারবেন।

তাই এক কথায় বলতে গেলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ শেখার আগ্রহ থাকতে হবে এবং আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ইউটিউব এবং গুগল সার্চ করে করে শিখে নিবেন সময় একটু বেশি লাগলেও আপনি অনেক ভালভাবে শিখতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়

ফ্রিল্যান্সিংয়ে আপনি হাজার হাজার কাজের ক্যাটাগরি রয়েছে যে ক্যাটাগরিতে আপনি কাজ করতে পারবেন কিন্তু আমাদের একার পক্ষে তো আর সব ক্যাটাগরিতে কাজ করা সম্ভব না তাই না। তাই আমাদেরকে নির্দিষ্ট কোন একটা ক্যাটাগরী কে সিলেক্ট করে সে ক্যাটাগরি রুপোর কাজ করতে হবে।

এখন কথা হচ্ছে আপনি কি কাজ শিখবে তার প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছে আছে অবাক হচ্ছেন তাইনা। অবাক হওয়ার কিছু নেই আপনি চিন্তা করে দেখুন আপনার অনলাইনে কোন কাজ গুলো করতে বেশি ভালো লাগে আপনি কি প্রচুর পরিমাণে ফেসবুক ব্যবহার করতে ভালোবাসেন আপনি কি প্রচুর পরিমাণে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে ভালোবাসেন এ জাতীয় আরো অনেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে সেগুলোতে সময় কাটাতে ভালোবাসে তাহলে আপনার জন্য একটা ক্যাটাগরী রয়েছে তা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

আপনি যদি নিজের মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং শিখেন ডিজিটাল মার্কেটিং আরো অনেক চাপ কাটাবে রয়েছে যেগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর আন্ডারে। 

যেমন ফেসবুক মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর আওতাভুক্ত পিন্টারেস্ট মার্কেটিং ইউটিউব মার্কেটিং ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং মার্কেটিং সহ আরো অনেক সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে যেগুলোতে মার্কেটিং করা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ।

ফেসবুক পেজ তৈরি করা ফেসবুক তৈরি করার পর সে ফেসবুক পেজ মার্কেটিং করা এসব গুলো কাজ হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ।

এখন আসি এই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুলোতে আপনি কিভাবে মার্কেটিং করবেন এবং কি মার্কেটিং করবেন।

এর উত্তর হচ্ছে আপনাকে বায়ার তাদের কোম্পানির কোন একটা প্রোডাক্ট দিবে সেটা আপনাকে বলবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করতে যেমন আপনি ফেসবুকে মার্কেটিং করতে পারবেন ফেসবুকে অনেক গ্রুপ রয়েছে যেগুলোতে পণ্য ক্রয় বিক্রি করা হয় সে সকল গ্রুপ গুলোতে আপনি আপনার বায়ারের প্রোডাক্ট মার্কেটিং করবেন এগুলো হচ্ছে আপনার কাছে। 

এটা তো বললাম ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কিন্তু আপনার কাছে যদি অন্য কোন কাজ ভালো লাগে তাহলে সে কাজের উপরে আপনি ফ্রীলান্সিং শিখে নিতে পারেন সে কাজের উপর বিভিন্ন বিষয়ে ইউটিউব গুগোল সার্চ করে আপনি শিখে নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর গুরুত্ব

আপনি যদি একজন বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে সেরা একটি ক্যারিয়ের মাধ্যম। বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে চাকরির বাজার কবিতা আপনি যদি পড়ালেখা করার মাধ্যমে ভালো কোন চাকরির আশা করেন বর্তমান সময়ে সেটা হবে বোকামি। 

কারণ বর্তমান সময়ে সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে চাকরি পাওয়া যায় না তাকে পাওয়ার জন্য সার্টিফিকেট এর পাশাপাশি কম্পিউটার সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করার প্রয়োজন হয় এবং সেইসাথে প্রয়োজন হয় মামু খালুর। 

বাংলাদেশে প্রায় 6 লাখের অধিক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। একটা সময় ছিল যখন ফ্রিল্যান্সাররা তাদের ইনকাম কত টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে কিছু টাকা কেটে নেয়া হতো কিন্তু বর্তমান সময়ে সরকার ঘোষণা দিয়েছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের উপার্জনকৃত টাকা যদি সরকার আওতাভুক্ত ব্যাংকের মাধ্যমে আনা হয় তাহলে সেখান থেকে চার পার্সেন্ট বোনাস দেওয়া হবে। 

তারমানে বোঝাই যায় বাংলাদেশ সরকারও চাই দেশের শিক্ষিত তরুণ তরুণী যাতে ফ্রিল্যান্সিং করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। তাই এক কথায় বলতে গেলে বাংলাদেশের পেক্ষাপটে ফ্রিল্যান্সিং এর গুরুত্ব অপরিসীম

ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায়

আমরা অনেকে প্রশ্ন করে থাকি ফ্রিল্যান্সিং কি মোবাইলে করা যায় মোবাইলের মাধ্যমে কি ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব এ ধরনের বিভিন্ন প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পাই। 

আসলে ফ্রিল্যান্সিং মোবাইলে করা সম্ভব নয় আপনি হয়তো ছোটখাট কিছু কাজ করতে পারবেন যেমন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কাজ করে কিছু টাকা ইনকাম করা কিছু ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ করে টুকটাক ইনকাম করা এগুলো ফ্রিল্যান্সিং মানে না।

আপনি যদি প্রফেশনালি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিংকে বেছে নেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার থাকতে হবে না হয় আপনি প্রফেশনালভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ কর্ম করতে পারবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন পড়তে পারে আমাদের? আসলে আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান নতুন অবস্থা যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করবেন তখন আপনার ভিতরে এবং বাহিরে অনেক কিছু থাকতে হবে যেমন।

  • কোন একটা বিষয় দক্ষতা অর্জন করা
  • কাজ শেখার আগ্রহ
  • ধৈর্য
  • কোন সমস্যায় পড়লে সেটা সাথে সাথে গুগল এবং ইউটিউব এর সাহায্যে সলভ করার ক্ষমতা
  • ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার
  • ইন্টারনেট কানেকশন

উপরের এই কয়েকটা বিষয় সম্পর্কে যদি আপনি অবগত থাকেন এমন এগুলো যদি আপনার ভিতরে থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে এবং ভালভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ কর্ম করে সফলতা অর্জন করতে পারবেন ইনশাল্লাহ।

ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই - সকল ফ্রিল্যান্সিং বাংলা পিডিএফ বই একসাথে

আমরা অনেকে রয়েছে যারা প্রচুর পরিমাণে বই পড়তে অনেক বেশি ভালোবাসি তাদের জন্য রয়েছে ফ্রিল্যান্সিং শেখার অপার সম্ভাবনা। কারণ বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই পাওয়া যায়।

আমরা আবার অনেকে রয়েছে বই পড়তে ভালোবাসি তবে মোবাইলের মাধ্যমে বই পড়তে বেশি ভালবাসেন তাদের জন্য রয়েছে। 

আমরা আজকে আপনাদেরকে যে ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই গুলো শেয়ার করবো সেগুলো হচ্ছে পিডিএফ বই অর্থাৎ আপনি এগুলো আপনার মোবাইলে করতে পারবেন আমরা সবাই মোবাইল টিপতে বেশি পছন্দ করি তাহলে আমরা মোবাইলের মাধ্যমে বই পড়ে ফেলেছে শিখে নিব বিষয়টা অনেক আনন্দের তাই না।

চলুন তাহলে আপনাদের সাথে ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই গুলো একে একে সবগুলো শেয়ার করা যাক আমরা এখানে যেগুলো ফ্রিল্যান্সিং শেখার বই শেয়ার করব সবগুলো বই কালেক্ট লিংক আমরা সাথে দিয়ে দিবো আপনারা সেখানে ক্লিক করে বইগুলো কালেক্ট করে নিবেন।

ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার – আল আমিন কবির

  • ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নামক একটা বই রয়েছে যেটা লিখেছেন আল-আমিন কবীর আমরা এ বইটির কালেক্ট লিংক নিচে দিয়ে রেখেছি আপনারা সেখানে ক্লিক করে খুব সহজে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নামক বইটি কালেক্ট করে নিতে পারবেন। কালেক্ট করুন ,

অনলাইন আর্নিং – আইটি বাড়ি

  • আপনি যদি বই পড়ার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ধারণা নিতে চান এবং ফ্রি-ল্যান্সিং এর খুটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতে চান কিভাবে অনলাইন থেকে আর্নিং করবেন সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অনলাইন আর্নিং নামক বইটি কালেক্ট করতে পারেন এই বইটি লিখেছেন আইটি বাড়ি এটি একটি ইনস্টিটিউট বইটি কালেক্ট করুন ,

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মধ্যে পার্থক্য

আমরা যারা নতুন তারা বেশিরভাগই একটা ভুল করে থাকি তা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং বিষয় গুলোকে একটি বিষয় মনে করি। আসলে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মধ্যে সম্পূর্ণ পার্থক্য রয়েছে ফ্রীলান্সিং একটা বিষয় আউটসোসিং আরেকটা বিষয় যদিও একটার সাথে একটা সম্পর্ক রয়েছে চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং এর মধ্যে পার্থক্য কি।

  • ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে ঘরে বসে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের সাহায্যে ইন্টারনেট সংযোগ করে অনলাইনের মাধ্যমে যে অর্থ উপার্জন করা হয় তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। 

অর্থাৎ আপনি আপনার বাসায় বসে থেকে বিদেশী কোন কোম্পানি অথবা ব্যক্তির ডিজিটাল কোন কাজকর্ম করে দেওয়া এবং সে কাজকর্মের বিনিময়ে আপনি টাকা ইনকাম করা কে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং।

  • আউটসোর্সিং

আর আউটসোসিং হচ্ছে আপনি আপনার প্রাতিষ্ঠানিক অথবা ব্যক্তিগত কোন কাজকর্ম করানোর জন্য অন্য কাউকে হায়ার করাকে বুঝায় অর্থাৎ আপনি আপনার কাজকর্মগুলো অন্য কারো মাধ্যমে কিছু টাকার বিনিময়ে করে নেওয়া কে আউটসোসিং বলা হয়। 

আমরা এখানে আপনাদেরকে ফ্রিল্যান্সিং-আউটসোর্সিং মধ্যে পার্থক্য গুলো অতি সংক্ষেপে আলোচনা করেছি যাতে করে আপনারা মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে অন্তত ধারণা নিতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য দুনিয়ার সব থেকে বড় গাইডলাইন

ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য দুনিয়ার সবথেকে বড় গাইডলাইন হলো আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন সর্বপ্রথম আপনি লক্ষ করবেন কোন বিষয়গুলোর প্রতি আপনার আগ্রহ অনেক বেশি যেমন ফ্রিল্যান্সিংয়ে অনেকটাই পড়ে রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন ডিজিটাল মার্কেটিং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। 

আপনার যে কাজগুলো ভালো লাগবে এবং যে কাজটি প্রতি আপনার সবথেকে বেশি ভালোলাগা কাজ করবে আপনি সে কাজটি শিখতে পারেন এখন কথা হচ্ছে কিভাবে শিখবেন। 

আপনি যদি টাকা দিয়ে শিখতে চান তাহলে বাংলাদেশ অনেক ভালো ভালো ইনস্টিটিউট রয়েছে যেগুলোতে আপনি তিন থেকে ছয় মাস কোর্স করে ভালো কিছু শিখতে পারবেন।

কিন্তু আপনি যদি টাকা ছাড়া শিখতে চান তাহলে সবথেকে সহজ ও বড় গাইডলাইন হচ্ছে আপনি যে বিষয়টি সম্পর্কে শিখতে চান সেটি সম্পর্কে প্রথমে ইউটিউবে সার্চ করে বিস্তারিত জানুন ইউটিউবে সার্চ করে জেনে নিন সে বিষয় সম্পর্কে শিখতে গেলে কি কি শিখতে হবে।

আমি ধরে নিলাম আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবে তাই প্রথমে আপনি ইউটিউবে সার্চ করবেন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হলে কি কি শিখতে হবে তখন আপনাকে অনেক কিছু বলা হবে তারপর আপনি সেই প্রত্যেকটা বিষয় সম্পর্কে ইউটিউব এবং গুগোল এ সার্চ করে করে শিখে নেবেন। 

এই পদ্ধতিটি যদি আপনি অবলম্বন করতে পারেন আশা করি আপনি যেকোন বিষয়ে অনেক পারদর্শী অর্জন করবেন।

ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট - কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব

আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব। এখানে একটা কথা বলা ভালো আপনি ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করার আগে আপনি যে কোন একটা বিষয় সম্পর্কে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করে নিবেন। 

আপনি যদি কাজ পারেন তারপরে আপনি ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করবেন। তার আগে কখনও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে একাউন্ট তৈরি করবেন না।

আর আপনি যদি ভালোভাবে কাজ করেন এখন আপনি চাচ্ছেন একটা ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করবেন আপনি যদি সম্পূর্ণ নতুন হয়ে থাকেন তাহলে fiber.com ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট তৈরি করতে পারেন কারন নতুন অবস্থায় এই ওয়েবসাইটটি হচ্ছে বেস্ট। 

তাই আপনি কিভাবে ফাইভের একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন সে সম্পর্কে আমরা একটা ভিডিও দিয়ে রেখেছি লিংকে ক্লিক করে আপনি খুব সহজেই ভিডিওটি দেখে নিতে পারবেন ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলে নিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সাররা কিভাবে টাকা তোলে

ফ্রিল্যান্সাররা কিভাবে টাকা তোলে তারা তাদের ইনকাম করা টাকা গুলো অনেকগুলো উপায় তলে থাকে তবে সবচাইতে বেশি ব্যবহার করা হয় পেওনিয়ার ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে টাকাগুলো পেওনিয়ার একাউন্ট সেন্ড করা হয় তারপর পেওনিয়ার একাউন্ট থেকে ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয় ব্যাংক থেকে সরাসরি হাতে নেওয়া হয়।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য ইংরেজি বই

আমাদের অনেকের ধারণা ফ্রীলান্সিং করতে গেলে অনেক ভালো ইংরেজি জানতে হবে না হয় আমরা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারব না এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। 

তবে ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে অবশ্যই কিছুটা ইংরেজি জানা লাগে কারণ আপনি যখন বিদেশিদের সাথে কথা বলবেন তখন তারা কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বলবে না তারা ইংরেজি ভাষায় কথা বলবে কেবল তাদের সাথে কমিউনিকেশন করতে পারলেই হবে অনেক ভালো ইংরেজি জানতে হবে বিষয়টা এমন না। 

তবে আপনি যদি অনেক ভালো ইংরেজি বলতে পারেন এমন অনেক ভালো ইংরেজি জানেন তাহলে আপনি ফ্রিলান্সিংয়ে অনেক ভালো করতে পারবেন তাই আপনারা যাতে খুব সহজে অনেক ভালো ইংরেজি শিখতে পারেন তাই আমরা নিচে আপনার জন্য কিছু ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য ইংরেজি ভুলগুলো শেয়ার করেছি লিংকে ক্লিক করে সবগুলো বই দেখে নেবে।

----------- FAQ --------

ফ্রিল্যান্সিং কি নিজের ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়া ভালো হবে?

  • অবশ্যই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে আগ্রহী হন নিঃসন্দেহে ফ্রিল্যান্সিং আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে ভালো একটা মাধ্যম হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং করে কি পরিমাণ টাকা ইনকাম করা যাবে?

  • আপনি যদি ভালোভাবে কাজ শিখতে পারেন আপনার যদি স্কিল অনেক ভাল হয় তাহলে আপনি ফ্রীলান্সিং জগতে অনেক ভালো টাকা পয়সা কামাতে পারে তবে তার জন্য আগে আপনাকে সময় দিয়ে ভালোভাবে স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে হবে তাহলে সম্ভব মাসে লক্ষ টাকার উপর কামানো।

ফ্রিল্যান্সিং কি হারাম?

  • আপনি যদি অনলাইন জগতে এমন কিছু কাজ বেছে নিন যে কাজগুলো খারাপ কাজ অনলাইনে অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো অ্যাডাল্ট আপনি যদি সে সকল বিষয় নিয়ে কাজ করেন এবং আপনি যদি ভালো কাজ করেন কোন একটা ভালো কাজ শিখে কিন্তু কাজ করার সময় আপনি সেই কাজে প্রতারণা করেন তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং হারাম হয়ে যাবে।

🟢উপসংহার: আমরা শেষটা করেছি ফ্রীলান্সিং সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরার জন্য ফ্রিল্যান্সিং কি ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখতে হয় ফ্রিল্যান্সিং করতে কি কি লাগে ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি আশা করি আপনারা সে বিষয়গুলো সম্পর্কে জেনেছেন। আপনাদের যদি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন।

🟢সেইসাথে আমাদের আর্টিকেলে যদি কোন উচ্চারণ ভুল হয়ে থাকে তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট বক্সে সেটা জানিয়ে দিবেন এতে করে আমরা খুব সহজে তা সংশোধন করে নিতে পারব ধন্যবাদ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url